সকালে অফিস, বিকেলে কেনাকাটা, রাতে দাওয়াত বা পার্টি। তাই রাতেই প্রয়োজনীয় জিনিষ গুছিয়ে রাখুন আপনার ব্যাগে।যাতে বাইরে বেরিয়ে কোন সমস্যায় পড়তে না হয় । তাই আলাদা একটা হ্যান্ডব্যাগ গুছিয়ে রাখুন অফিসে বেরোনোর জন্য। কোনো প্রয়োজনীয় জিনিস যেন ব্যাগ থেকে হারিয়ে না যায়। আর প্রয়োজনে পাচ্ছি না বলে ব্যাগও তন্নতন্ন করে খোঁজার হাত থেকে আপনি মুক্তি পাবেন।
টাকাপয়সা
টাকাপয়সা ছাড়া পার্স ভাবাই যায় না। তাই বেরোনোর আগে দেখে নিন,ব্যাগে প্রয়োজনীয় টাকাপয়সা রয়েছে কি-না এবং সঙ্গে অবশ্যই খুচরো টাকা তো অবশ্যই। ডেবিট কার্ড নিলেও ক্রেটিড কার্ড না রাখাই ভালো।
রুমাল ও টিস্যু পেপার
হাত ও মুখ মুছার একটা রুমাল অবশ্যই ব্যাগে রাখা উচিত। এছাড়া কিছু টিস্যু পেপার রাখা জরুরি।
লিপস্টিক
শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা বরোমাস লিপস্টিকেই ভরসা। গ্ল্যামার বাড়াতে বা ঠোঁটকে আর্দ্র রাখতে একটা লিপস্টিক পার্সে রাখা চাই-ই। মাঝে-মধ্যে একটু ঠোঁটে বুলিয়ে নিলেন।695
স্যানিটেরি ন্যাপকিন
সুরক্ষার জন্য স্যানিটেরি ন্যাপকিন অবশ্যই সবসময় পার্সে রাখবেন।
ছোট সানস্ক্রিন
সবসময় সানস্ক্রিনের একটা ছোট শিশি টিস্যুপেপারে মুড়ে রাখবেন। অফিসে পৌঁছে মুখ ধুয়ে টিস্যু দিয়ে মুছে চট করে লাগিয়ে নিতে পারবেন।
ওষুধ
ব্যান্ডেস,প্যারাসিটামলস,পেটখারাপের ওষুধ, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাড়ি থেকে বেরানোর আগে নিতে ভুলবেন না।
আই কার্ড, ইমার্জেন্সি নম্বর
আচমকা বিপদে পড়লে ইমার্জেন্সি নাম্বার সঙ্গে থাকা উচিত। সঙ্গে আই কার্ডও রাখবেন। আর আপনি চাকরি করলে অবশ্যই পরিচয়পত্র ক্যারি করবেন।
পেপার স্প্রে
ইভটিজারদের শায়েস্তা করতে এর চেয়ে ভালো দাওয়াই আর কী-ই বা হতে পারে।
কলম
প্রায় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, প্রয়োজনের সময় আমরা অনেকক্ষণ খুঁজেও ব্যাগে কলম পাই না। তখন আমাদের অন্যদের কাছে চাইতে হয়। তার চেয়ে ব্যাগে একটা রেখে দেয়াই ভালো।
সানগ্লাস
সানগ্লাস আপনার চেহারায় আলাদা মাত্রা যোগ করবে। তাছাড়া খালি চোখে বেশিক্ষণ রোদে থাকা ঠিক নয়। তাই সবসময় ব্যাগে সানগ্লাস রাখা মাস্ট।
পারফিউম বা বডি স্প্রে
শরীরের দুর্গন্ধ দূর করতে, কিংবা শীতে নিজেকে ফ্রেশ রাখতে ব্যাগে একটা ডিও স্প্রে চাই-ই চাই।

0 facebook:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন