728x90 AdSpace

ব্রেকিং
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

প্রেগনেন্সির সময় কসমেটিক্স ব্যবহারে সাবধানতা

আজকাল সবাই কম বেশি রূপ সচেতন। বিশেষ করে মেয়েরা কম বেশি প্রতিদিন ক্রিম, ফাউন্ডেশন, লিপস্টিক, নেইলপলিশ লাগায়। আজকাল আবার ক্রিম এর মধ্যে বিভিন্ন রকম ভেদ আছে। যেমন – বলিরেখার ক্রিম, ব্রণ দূর করার ক্রিম, রঙ ফর্সা করার ক্রিম। আর আছে দাঁত সাদা করার পেস্ট, হেয়ার রিমুভাল ক্রিম। কিন্তু আপনি কি জানেন প্রেগনেন্সির সময় এসব বিশেষায়িত কস্মেটিক্স ব্যবহার করলে আপনার অনাগত বাচ্চার উপর কি প্রভাব ফেলবে? একটি জরিপে দেখা গিয়েছে একজন মেয়ে প্রতিদিন ১২ রকমের কস্মেটিকস ব্যবহার করে। প্রেগনেন্সির সময় কিছু কস্মেটিকস পরিহার করা ভালো। আমাদের দেশের ডাক্তাররা এখনও সেইভাবে প্রেগনেন্সিতে নারীকে সতর্ক করে না। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে Retinoidsম, Lead, Parabens আছে এরকম কস্মেটিকস ব্যবহার করেলে দেহে হরমোনাল পরিবর্তন আসে যা অনগত বাচ্চাকে বিকলাঙ্গ, মানসিক ভাবে ভারসম্যহীন করতে পারে। তাই প্রেগনেন্সিতে নারীদের কিছু প্রসাধনী সামগ্রী পরিহার করা উচিত অথবা সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
মোটামুটি বলতে গেলে সকল কস্মেটিকস এ এই উপাদান টি আছে, লোশান, ক্রিম, টোনার, ফাউন্ডেশন। Parabens অনেক ধরেনের হয়, যেমন propyl paraben, methylparaben ইত্যাদি। সকল Parabens -ই পরিহার যোগ্য। কস্মেটিকস এর গায়ে উপাদানে Parabens লেখা থাকলে সেটা ব্যবহার না করাই ভালো। আমাদের দেশে Parabens ছাড়া লোশান, ক্রিম কম -ই দেখা যায়। কিছু আছে যেমন Nivea soft cream, J&j lotion(made in Italy), lotus herbal cream, Himalaya, Biotique Botanicals ইত্যাদি।

 Salicylic Acid( BHA or beta hydroxyl Acid):

এই উপাদানটি মূলত থাকে ব্রণ নির্মূল ক্রিম, বলিরেখা দূর করার ক্রিমে যা মুখ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। Asprin এ যেহেতু Salicylic Acid আছে, তাই এইসময় এটা পরিহার করা উচিত। অতিরিক্ত Asprin গ্রহণে অনেক বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে। ব্ল্যাকহেডস দূর করার Scrub এ Salicylic Acid থাকে, তাই Scrub ব্যবহার না করে ১ চামচ চিনি আর ১ চামচ মধু দিয়ে Scrub বানিয়ে ব্যবহার করুন।lipstick

 Retinol:

Retinol হলো একধরনের ভিটামিন এ, যেটা বলিরখা, ব্রণ দূর করে, স্কিন এর কোলাজেন এর সমতা রাখে। অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণ বাচ্চার উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে, তা প্রমানিত হয়েছে। ভিটামিন এ যুক্ত যেকোন ক্রিম পরিহার করা ভালো।

 Phthalates:

এই উপাদানটি ব্যবহার করা হয় নেইলপলিস তৈরীতে। আর ব্যবহার করা হয় পারফিউম, বডি স্প্রে, হেয়ার স্প্রে ইত্যাদিতে। ২০০৫ এর একটি পরীক্ষাতে দেখা গিয়েছে যে Phthalates যারা বেশি গ্রহণ করে, তাদের অনাগত ছেলে সন্তানের জেনিটল এর ক্ষতিকর পরিবর্তন সাধিত হওয়ায় খুব বড় সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছে।

(বিঃদ্রঃPhthalates বাচ্চা জন্মগ্রহণে কোন ক্ষতি সাধন করে না, শুধু ছেলে বাচ্চার জেনিটল ডেভেলপমেন্ট এ বাঁধা সৃষ্টি করে)

০৫. হেয়ার রিমুভাল ক্রিমঃ

প্রেগনেন্সির সময় এমন কিছু কস্মেটিক্স ব্যবহার করা উচিত না যেটা দেহে তাড়াতাড়ি Absorb করে এবং রক্তের সাথে মিশে যায়। প্রেগন্যান্ট নারীদের জন্য বেশি নিরাপদ হলো হেয়ার রিমুভাল ক্রিম, পারফিউম পরিহার করা। অনেক মেয়েদের-ই গায়ে বেশি লোম থাকে, তারা প্রাকৃতিকভাবে ওয়াক্সপিং করাতে পারেন।

০৬. হোয়াইটেনিং টুথ ব্রাশঃ

oxybenzone হলো দাঁত ফর্সাকারি পেস্ট এর মুল উপাদান। এটা যেহেতু ব্লিা্চিং প্রসেস তাই এটা পরিহার করাই ভালো। কিন্তু হোয়াইটেনিং টুথ ব্রাশ অনাগত বাচ্চার উপর কতো টুকু বিরূপ প্রভাব ফেলবে সেটা নিয়ে এখনও ডেন্টিস্টরা সন্ধিহান, কিন্তু পরিহার করার পরামর্শই দিয়েছেন। খুব ভালো হয় রেগুলার নরমাল পেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা, আর রেগুলার ডেন্টিস্ট এর সাথে চেক আপ করানো।
  • আপনার মতামত
  • ফেসবুকে মতামত দিন

0 facebook:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Item Reviewed: প্রেগনেন্সির সময় কসমেটিক্স ব্যবহারে সাবধানতা Rating: 5 Reviewed By: Unknown