প্রচন্ড গরমে যখন জনজীবন অতিষ্ঠ, তখন সকলেই চায় একটু স্বস্তিতে সময় কাটাতে। দৈনন্দিন কাজকর্মের ঝামেলা শেষ করে একটু অলস সময় কাটাতে সিলেটের তরুণ-তরুণীদের আড্ডা বসে এয়ারপোর্ট রোডের ছোট ছোট রেস্তোরাগুলোতে।বৃহত্তর সিলেটে রাতারগুল, বিছনাকান্দি, পান্থুমাই, উতমাছড়াসহ উলেখযোগ্য বেশ কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্র থাকলেও নগরীর অভ্যন্তরে মানুষের বিনোদনের স্থান নেই বললেই চলে। তাই যেখানেই মানুষ একটু স্বস্তির সন্ধান পান সেখানেই জমিয়ে তুলেন স্বস্তির আড্ডা।
বর্তমানে এমন স্থান হয়ে দাড়িয়েছে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশমুখের পাশে গড়ে ওঠা ছোট ছোট রেস্তোরাগুলো। এ রেস্তোরাগুলোকেই বন্ধু-বান্ধব মিলে আড্ডা দেওয়ার স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন তরুণ-তরুণীরা।কয়েকদিন আগে এক বিকেলে রেস্তোরাগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, শতাধিক তরুণ-তরুণীর আড্ডায় মুখরিত রেস্তোরাগুলোর ভেতর। চেয়ারগুলোকে গোল করে সাজিয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছেন তারা। চলছে গান, ছবি তোলার ধুম। এদের মধ্যে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারাই বেশি। বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, কার, সিএনজি যে যেভাবে পারেন এসে যোগ দেন আড্ডায়।
আড্ডা দিতে আসা তরুণ ফাহমিদ বলেন, যান্ত্রিক নগরীর মধ্যে স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলার স্থান নেই। এয়ারপোর্ট সড়কের এই এলাকা বেশ নীরব। প্রকৃতির ছোয়াও রয়েছে। তাই বন্ধুর দল মিলে এখানে আড্ডা দিতে আসি।এই এলাকার আড্ডাবাজদের সবথেকে বেশি ভিড় থাকে ‘মা স্টোর’ নামক রেস্তোরায়। মা স্টোরের মালিক ওলি জানান, আগে তার রেস্তোরায় লোকসমাগম অনেক কম হত। কিন্তু এখন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের যাতায়াত বাড়ায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তার দোকানে মানুষের ভিড় থাকে। সাপ্তহিক ছুটির দিনগুলোতে রেস্তোরায় মানুষের সংখ্যা আরো বেড়ে যায়।

0 facebook:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন